বীর্যপাত বন্ধ রেখে কিভাবে যৌন মিলন করার উপায়?পদ্ধতি জেনে নিন

যৌন মিলন করার উপায়

স্বামী স্ত্রী পবিত্র মিলনের মাধ্যমে সুখ লাভ করে। ইসলামে স্বামী স্ত্রীর মিলনকে বেহেশতের সুখের সাথে তুলনা করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে ও প্রামণিত যে অধিক সময় যাবত্‍ যৌন মিলন অত্যন্ত সুখের। তবে এই আনন্দ তখনই মাটি হয়ে যায় যখন দ্রুত বীর্যপাতন হয়ে যায়। অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। আজকে আপনারা এই আর্টিকেলের পড়ে জানতে পারবেন সঠিক পদ্ধতিতে যৌন মিলন করার উপায়।


মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যৌন মিলন করার উপায় শিখে রাখলে যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।


এখানে বলে রাখতে চাই ২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫-এর পর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানও বাড়তে থাকে।


তাছাড়া এক নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বার বার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেয়া যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভাল লাগা কিংবা মন্দ লাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

সঠিক পদ্ধতিতে যৌন মিলন করার উপায়ঃ


পদ্ধতি ১: চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা:


অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়। যৌন মিলন করার উপায় জানলে ২ নাম্বার পদ্ধতিও কার্যকর।

পদ্ধতি ২: সংকোচন (টেনসিং):


অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।


পদ্ধতি ৩: বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে):


এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত্‍। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যত্‍ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।


পরিশিষ্ট:

উপরের সবকয়টি যৌন মিলন করার উপায় আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া। স্ত্রীরও উচিত স্বামীর প্রতি যত্নশীল হওয়া।

বর্ষায় শিশুর যত্ন

বর্ষায় শিশুর যত্ন

আষাঢ় শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল। বর্ষাকালে কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া কখনো হয়ে ওঠে গরম, আবার কখনো ঠান্ডা। তাই ঋতুর পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর যত্নের ধরনও বদলে যায়। এজন্য এ সময় শিশুদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। বর্ষাকালে কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া কখনো হয়ে ওঠে গরম, আবার কখনো ঠান্ডা। তাই ঋতুর পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর যত্নের ধরনও বদলে যায়। এজন্য এ সময় শিশুদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। বর্ষায় কীভাবে শিশুর যত্ন নেবেন জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহবুব মোতানাব্বি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হওয়ায় বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় তাদের অসুখ-বিসুখও বেড়ে যায়। এর মূল কারণ হচ্ছে বর্ষায় বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকে। তাই সংক্রামক ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস খুব সহজেই রোগ ছড়াতে পারে। বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ডায়রিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, সর্দি-কাশি, টাইফয়েড, ছত্রাকজনিত ত্বকের সমস্যা। তাই এ সময়ে শিশুদের যত্নের বিষয়ে খুব সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এই বৃষ্টি তো এই ভ্যাপসা গরম। আবহাওয়া এখন এমনই। প্রকৃতির পটপরিবর্তনের এই সময় হুট করে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে শিশুরা। শিশুর সুস্থতায় এই সময় বাড়তি খেয়াল রাখা চাই। শিশুর পরিচ্ছন্নতা, পোশাকের ধরন, খাদ্যাভ্যাস, রোজকার যত্ন—এসবের পাশাপাশি তার ব্যবহৃত কাপড়গুলোর দিকেও নজর দিতে হবে।

আর পড়ুনঃ গরমে নবজাতকের যত্ন

বর্ষায় শিশুর যত্ন ও প্রয়োজনীয় কিছু কাজঃ

■ শিশুকে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি খাওয়ান। বাইরের খোলা খাবার দেবেন না।

■ শিশু ঘেমে যাচ্ছে কি না, খেয়াল রাখুন। ঘাম হলে মুছিয়ে দিন। প্রয়োজনে পোশাক বদলে দিন।

■ বৃষ্টিতে ভিজলেও দ্রুত কাপড় বদলে ভালোভাবে মুছে দিন।

■ খুব প্রয়োজন না পড়লে ডায়াপার পরাবেন না। ডায়াপার পরিয়ে রাখার ফলে র‍্যাশ হতে পারে। ভেজা অবস্থায় রাখলে ছত্রাকের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই ডায়াপার পরালেও সতর্ক থাকুন যাতে ডায়াপারের স্থানে ঘাম না জমে। ভিজলে একটু পাউডার লাগিয়ে জায়গাটা শুষ্ক রাখতে পারেন।

■ ধূলাময় স্থান এড়িয়ে চলুন। ছায়াযুক্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে রাখুন শিশুকে। ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আসার ব্যবস্থা রাখুন।

■ ঘরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র থাকলেও ঘর খুব বেশি ঠান্ডা করবেন না। ঘরে-বাইরে তাপমাত্রার পার্থক্য খুব বেশি হলে শিশুর সহজেই ঠান্ডা লেগে যাবে। রাতের শেষ দিকে এমনিতেই তাপমাত্রা কমে যায়। এ সময় কৃত্রিমভাবে তাপমাত্রা কমানোর প্রয়োজন হয় না। আর যাদের অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট থাকে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র তাদের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে শুষ্কতা এড়াতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্রে একটি পানির পাত্র রাখতে পারেন বা হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। তবে বদ্ধ ঘরের চেয়ে খোলামেলা, উন্মুক্ত পরিবেশ শিশুর জন্য বেশি ভালো।

■ দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করুন।

বর্ষায় মশার উপদ্রব অনেক বেড়ে যায়।

বর্ষায় মশার উপদ্রব অনেক বেড়ে যায়। আর এ থেকে ডেঙ্গু জ্বরসহ নানা রোগের আশঙ্কাও বেড়ে যায়। তাই এই ঋতুতে শুধু বাড়ির ভেতরটা নয়, পরিষ্কার রাখতে হবে বাড়ির আশপাশও। বাড়ির আশপাশে ঝোপঝাড় থাকলে সম্ভব হলে তা পরিষ্কার করিয়ে মশার ওষুধ ছিটিয়ে দিন। ঘরের ভেতর খাটের নিচে, আলমারির পেছনসহ বিভিন্ন ফার্নিচারের আটকানো জায়গাগুলো পরিষ্কার করে নিন। কারণ ঘরের এসব জায়গাতেই মশা লুকিয়ে থাকে। এডিস মশার উপদ্রব কমাতে ফুলদানি, ফুলের টব বা পড়ে থাকা পাত্রে এক সপ্তাহের বেশি যেন পানি আটকে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। রাতে তো বটেই, দুপুরে বা বিকালে শিশু ঘুমালেও মশারি টানিয়ে দিন।

নানা কারণে শিশুদের পেটে সমস্যা হয়ে থাকে। বিশেষত বর্ষাকালে। বাচ্চাদের পেটের যত্ন বেশি করে নেওয়া উচিত।

শিশুর অসুস্থতায় মা বাবাকে কম বেশি ভুগতে হয়। নবজাতকের ক্ষেএে ওভার ফিডিং এবং দোকানের দুধের থেকে অথবা অপরিস্কার বোতল থেকে সংক্রমণের সমস্যা লেগেই থাকে। আর বষাকালে পানি ও একটা বড় সমস্যা। ঠিক ভাবে ফোটানো না হলে এতে জীবাণু থেকে যায় তাতে শিশুর পেটের সমস্যা দেখা দেয়।

এছাড়াও অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খেলে ও শিশুদের পেটে সমস্যা হয়ে থাকে। বুঝতে না পেরে খেয়ে পেলা এল্যাজি জাতীয় খাবার খেয়ে পেট সমস্যা হয়ে থাকে।

বিশেষ করে বর্ষাকালে হজম সংক্রান্ত সমস্যা আরো দিগুণ বেরে যায়। পানি থেকে ইনফেকশন সমস্যা বেশি হয়ে থাকে।

তাই উপরের নিয়ম গুলো লক্ষ্য করুন আর আপনার শিশুকে বর্ষাকালে সুস্থ রাখুন।

গরমে নবজাতকের যত্ন নিতে কি কি করতে হবে আপনাকে?

গরমে নবজাতকের যত্ন

জন্মের পর থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত বয়সী শিশুকে নবজাতক বলা হয়। এ সময় মা ও শিশু দুজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ৷ নবজাতককে নিরাপদ রাখতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই।

নানান ভাবে এই গরমে নবজাতকের যত্ন নিতে পারেন

#১.শরীর যেন আর্দ্র থাকে (Keep the baby hydrated)

গরমে আমাদের যেমন ঘন ঘন জল তেষ্টা পায়, শিশুরও কিন্তু গলা শুকিয়ে যায়। যেহেতু, সদ্যোজাত শিশু মায়ের দুধই খায়, তাই ওকে কিছুক্ষণ পরপর একটু করে দুধ খাইয়ে দিন। যদি কোনও কারণবশত আপনি ওকে ব্রেস্ট মিল্ক দিতে পারছেন না এবং ফর্মুলা খাওয়াতে শুরু করেছেন, তা হলে বাচ্চাকে ফর্মুলার সাথেই জল দিতে হবে। কিন্তু, অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে। বাচ্চাকে জল খাওয়াতে হলে সেই জল যেন অতিমাত্রায় বিশুদ্ধ হয় এবং জলের বোতল যেন অবশ্যই স্টেরিলাইজড করা হয়। শিশুকে জল দেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া একান্ত জরুরি। বাচ্চা ব্রেস্ট মিল্ক খেলে লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার খাওয়া-দাওয়ার ওপর। বেশি করে জল খান আপনিও। দিনে অন্তত ৩ লিটার তো বটেই।

#2. স্নান করার শিশুকে (Bathe your baby regularly)

গরমে নবজাতকের যত্ন এর জন্য প্রচণ্ড গরমে বাচ্চাকে স্নান করানো অবশ্যই উচিত। তবে, মনে রাখবেন, বাচ্চার স্নানের জল যেন কখনই খুব গরম বা খুব ঠান্ডা না হয়। কুসুম গরম জলে বাচ্চাকে স্নান করান। হাতের কনুই জলে ডুবিয়ে জলের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে নিন। বাচ্চাকে স্নান করালে বাচ্চার দেহের তাপমাত্রাও কমে এবং ও আরাম পায়। এমনকি, ডাক্তার যদি অনুমতি দেন, তা হলে আপনার ছোট্ট শিশুটিকে আপনি দিনে এক বারের বেশিও স্নান করাতে পারেন। স্নানের সময় বগল ও গোপনাঙ্গের খাঁজ পরিষ্কার করে দিন। এইসব স্থানে ঘাম বেশি হয় বলে নোংরা বেশি বসে ইনফেকশন হতে পারে।

#3. তেল মালিশের খুঁটিনাটি (Oil massage is must)

গরম কাল বলে ভাববেন না, যে শিশুকে তেল মাখানো যাবে না। আমরা না হয় বড়, গরম কালে তেল মাখার নাম শুনলে আঁতকে উঠি। কিন্তু, শিশুর ক্ষেত্রে একেবারেই এই ধারণা কাজ করে না। বাচ্চাকে ভালো কোম্পানির বেবি অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করে দিন। লক্ষ্য রাখবেন, বাচ্চাকে যে বেবি অয়েল মাখাচ্ছেন সেটা ওর স্যুট করছে কি না। যেহেতু, বাচ্চা একেবারেই ছোট, তাই যে কোনও নতুন কিছু শুরুর আগে একটু বিশেষ লক্ষ্য রাখতেই হবে। ভালো গুণমানের বেবি অয়েল শিশুকে মাখালে শিশুর শরীর ঠান্ডা হয়, ত্বক নরম থাকে এবং ওর ঘুমও ভালো হয়।

তবে, যেহেতু গরম কাল, তাই শিশুকে তেল মালিশ করে দেওয়ার পর ভালো করে ভিজে কাপড় দিয়ে সব তেলটা মুছে দিন বা স্নান করিয়ে দিন। শিশুর গায়ে যেন অতিরিক্ত তেল লেগে না থাকে বা তেল প্যাচপ্যাচে ভাব না থাকে। গরম কালে সরষের তেল মাখাবেন না কারণ; এই তেল শরীর গরম করে। গরমে সরষের তেল মাখালে শিশুর র‍্যাশ, ফুসকুড়ি বা ঘামাচি হতেই পারে। বেবি অয়েল ছাড়া নারকেল তেল, তিল তেল বা অলিভ অয়েল শিশুর মালিশের জন্য খুব ভালো।এই তেলগুলি মাখালেও শিশুর শরীর ঠান্ডা হয়।

আর পড়ুনঃ বর্ষায় শিশুর যত্ন

#4. বেবি পাউডার সঙ্গে থাকুক (Start using baby powder)

ভালো কোম্পানির বেবি পাউডার শিশুটিকে অনেক আরাম দিতে পারে। গরমে ঘাম থেকে হওয়া র‍্যাশ বা বিছানার সাথে ঘষা লেগে শিশুর পিঠে যে র‍্যাশ হয়, তার থেকে রক্ষা করতে পারে এই বেবি পাউডার। বেবি পাউডারে কুলিং এজেন্ট থাকায় বাচ্চার শরীর ঠান্ডাও রাখে। তবে, কোনও কিছুই তো অতিরিক্ত ভালো নয়। এই একই কথা পাউডারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বেশি পাউডারে লোমকূপ বন্ধ হয়ে র‍্যাশ গজাতে পারে। বাচ্চার গায়ে সরাসরি পাউডার ঢালবেন না। নিজের হাতে পাউডার ঢেলে হাতে মেখে নিন, তারপর বাচ্চার গায়ে আপনার হাতে করে পাউডার মাখিয়ে দিন। এর ফলে, বাচ্চাকে অতিরিক্ত পাউডার মাখানোও হয় না, আবার বাচ্চার নাকে পাউডার ঢুকে যায় না।

#5. ঢিলেঢালা জামা-কাপড় (Choose right clothes)

গরমে নবজাতকের যত্ন নিতে বাচ্চাটিকে এমন জামা-কাপড় পরান, যেন তাতে যথেষ্ট হাওয়া বাতাস খেলে। বাচ্চার গায়ে ঘাম হলে কিছু সময় পরপর ওর জামা পাল্টে দিন। দুপুরের চড়া রোদে ছোট্ট বাচ্চাকে নিয়ে বাইরে না বেরোলেই ভালো। সারাদিন ডায়াপার পরিয়ে রাখবেন না। প্রয়োজনে শুধুমাত্র রাতেই ডায়াপার পরান।

#6. ঘরের তাপমাত্রায় বেশি পরিবর্তন আনবেন না (Don’t change the room temperature frequently)

জন্মের পর বাচ্চারা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে চেষ্টা করে। তাই বাচ্চা যেখানে থাকে, সেই ঘরের তাপমাত্রার হঠাৎ হঠাৎ রদবদল তার ছোট্ট শরীর ঠিক ভাবে মানিয়ে নিতে পারে না। বাচ্চা যে ঘরে থাকবে, সেখানে ফ্যানের স্পিড বা এয়ারকন্ডিশনের তাপমাত্রা একই রকম রাখুন। বাচ্চার ঘরের আদর্শ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি হওয়া উচিত। এয়ার কুলার ব্যবহার করলে তা যেন নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। How to take care of a Newborn in Summer in Bangla.

গরমে নবজাতকের যত্ন ও সুস্থ রাখতে আরো কিছু উপায়

১। স্বাস্থ্যকর ও বিশুদ্ধ খাবার

শিশুর সঠিক খাদ্যাভাসই গরমের সমস্যা থেকে শিশুকে অর্ধেক সুরক্ষা দিতে পারে।

  • আপনার সন্তান যদি শুধু বুকের দুধের উপর নির্ভরশীল থাকে তাহলে তাকে অল্প অল্প করে কিন্তু ঘনঘন বুকের দুধ খাওয়ান। কারণ গরমে ঘামানোর কারণে শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দিতে পারে। ঘনঘন বুকের দুধ খাওয়ালে এই সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।
  • আপনার সন্তান যদি বাড়তি খাবার খাওয়া শুরু করে তাহলে তাকে বাড়তি খাবারের পাশাপাশি হালকা বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। অথবা বুকের দুধ না খাওয়ালে খাবারের পাশাপাশি হালকা কুসুম গরম দুধ অথবা ফর্মুলা খাওয়াতে পারেন।
  • গরমে গরুর দুধ ও তরল দুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় সেজন্য পাউডার দুধ রাখতে পারেন। তবে পাউডার দুধ ও ফরমুলা মিল্ক অবশ্যই সুরক্ষিত থাকে এমন কোন জার অথবা জায়গার রাখুন।
  • কোন কারণে বাসার বাইরে গেলে ফলমূল ও শুকনো খাবার সাথে রাখুন। রান্না করা খাবার বা তরল খাবার গরমে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

২। নিরাপদ ও পর্যাপ্ত পানি

গরমে সুস্থ থাকার জন্য বিশুদ্ধ পানি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ

  • শিশুর জন্য অবশ্যই ফুটানো অথবা ফিল্টারিং করা পানি ব্যবহার করবেন।
  • মিনারেল ওয়াটার খাওয়ানোর সময় বোতলের গায়ের মেয়াদ ও বোতলের মুখ অব্যবহৃত কিনা তা দেখে নিতে হবে।
  • ডিহাইড্রেশন থেকে সুরক্ষার জন্য ১ বছরের কম বয়সি শিশুর ৮-১২ আউন্স (২২৬ গ্রাম থেকে ৩৪০ গ্রাম) পানি পান করা উচিত। ১ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য অন্তত ৩০ আউন্স (৮৫০ গ্রাম) পানি পান করা উচিত।
  • অতিরিক্ত গরমে শিশুর ডিহাইড্রেশনের দিকে নজর রাখুন। ডিহাইড্রেশনের লক্ষন দেখলে পানির পরিমাণ বাড়ান অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিন। (ডিহাইড্রেশনে লক্ষন-৬ ঘন্টার বেশি প্রস্রাব, পায়খানা না করা; কাঁদলে চোখ দিয়ে পানি বের না হওয়া, অতিরিক্ত ঘুম ও নিস্তেজ হয়ে যাওয়া, ঠোট শুকিয়ে যাওয়া ও ফ্যাকাশে দেখানো)

৩। সঠিক পোশাক পরিধান

গরমে শিশুকে সঠিক পোশাক পরিধান করানোও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এতে অনেকাংশেই গরম থেকে বাঁচা যায়।

  • শিশুকে অতিরিক্ত জামা কাপড় পরাবেন না।
  • সুতি, পাতলা ও ঢিলেঢালা জামা পছন্দ করুন। বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে জামার রঙয়ের দিকে খেয়াল রাখুন। যে সব রঙয়ের তাপ শোষন ক্ষমতা বেশি সেসব রঙয়ের জামা পরিহার করুন। সাধারণত বাইরে গেলে কালো রঙয়ের জামা পরাবেন না।
  • চাইলে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ৬ মাস বয়সী বাচ্চাদের জন্য সানস্ক্রিন রক্ষাকবজের মতো কাজ করে। তবে অবশ্যই শিশুর উপযোগী সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের চেষ্টা করবেন।

উপরের নিয়ম গুলো অনুসরণ করে গরমে নবজাতক শিশুকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব

বাতাসে উষ্ণতা বাড়ার সাথে সাথে ত্বকে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সূর্যের তাপ এবং ধুলাবালুর কারণে এ সময়ে ত্বকের জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্নর। 

গরম কাল এসে গিয়েছে। আর আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তা হলে ইতিমধ্যে দুশ্চিন্তায় আপনার ত্বকে আরও বেশ কয়েকটি অ্যাকনে উঁকি মারা শুরু করে দিয়েছে। গ্রীষ্ম এমনিতেই ত্বকের উপর নানা কুপ্রভাব বিস্তার করে (Summer Skin Care)। ত্বক শুষ্ক, আর্দ্রতাহীন ও খসখসে হয়ে ওঠে। তার উপরে ক্রমাগত ঘামের জন্য তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে নানা রকম ত্বকের সমস্যা যেমন, পিম্পলস-অ্যাকনে বেড়ে যায়। তবে এ সবের হাত থেকে মুক্তি পেতে প্রচুর টাকা খরচা করতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার রান্নাঘরের কয়েকটি উপাদান এই সমস্যার হাত থেকে আপনাকে রেহাই দিতে পারে। তেমনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হলো কমলালেবু। সত্যি বলতে ত্বকের উপর জাদু করতে পারে কমলালেবু। কারণ এর মধ্যে অতিরিক্ত তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।ত্বকের উপর জাদু করতে পারে কমলালেবু। কারণ এর মধ্যে অতিরিক্ত তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

  • কমলালেবু অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে পারে
  • কমলালেবুর ত্বকের সমস্যায় মিরাকেল করতে পারে
  • অ্যাকনে, পিম্পলস-এর সমস্যায় কমলালেবুর ফেসপ্যাক উপকারী

কমলালেবু দিয়ে তৈরি তিনটি ফেস প্যাকের সন্ধান:

১. কমলালেবু ও নিমের ফেস প্যাক:

উপকরণ

৩ টেবিল চামচ কমলালেবুর রস, ২ টেবিল চামচ দুধ, ৩ টেবিল-চামচ নিমপাতা বাটা।

প্রনালী

একটি পাত্র নিয়ে তার মধ্যে নিমপাতা বাটা ও দুধ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। এ বার তার মধ্যে কমলালেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি ঘন থকথকে হলে মুখে মেখে কুড়ি মিনিট রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।

২. কমলালেবু ও বেসনের ফেসপ্যাক:

উপকরণ

২ টেবিল চামচ বেসন, ৩ টেবিল চামচ গোলাপজল, ৩ টেবিল চামচ কমলা লেবুর রস।

প্রনালী

কমলালেবুর রসের সঙ্গে বেসনের গুঁড়ো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপরে তার মধ্যে পরিমাণমতো গোলাপ জল মেশান। মুখে মেখে কুড়ি মিনিট রাখার পরে দেখবেন পুরো মিশ্রণটি শুকিয়ে গিয়েছে। তখন হালকা হাতে ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন বা নরম কাপড় ভিজিয়ে মুছে ফেলতে পারেন। এক সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাক ব্যবহার করুন।

৩. কমলা লেবু এবং ওটমিল ফেসপ্যাক

উপকরণ

১ টেবিল চামচ ওটমিল, ২ টেবিল চামচ কমলালেবুর রস।

প্রণালী

একটি পাত্রে দুটি উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে মাখুন। দশ থেকে বারো মিনিট রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন ।

নিন্মে আরো কিছু নিয়মাবলি দেওয়া হলো

গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিব

পানি পান করুনঃ পানি শুধু শরীরে আর্দ্রতা জোগায় না, ত্বককে করে তোলে সজীব। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে এ সময়ে প্রচুর পানি পান করুন।

টোনার ব্যবহার করুনঃ টোনার ত্বকের রোমকূপ বন্ধ ও ত্বককে শীতল রাখতে সাহায্য করে। বাজার থেকে ভালো কোম্পানির টোনার দেখে কিনুন। ঘরোয়া টোনার হিসেবে গোলাপজল ভালো কাজ করে।

ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুনঃ গরমের সময়ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ করবেন না। কারণ ময়েশ্চারাইজার ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি ত্বককে নরম রাখে। তবে গরমের সময় ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন ত্বকের যত্নে।

ত্বক পরিষ্কার রাখুনঃ সকালে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করুন। যদি এমন হয় সারা দিন বাইরে বের হননি তবুও রুটিন করে ত্বক পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।

ত্বককে আরো বেশি উজ্জ্বল করতে নিয়মিত এগুলো ব্যবহার করুন

বয়সের ছাপ সবার আগে আমাদের ত্বকেই পড়ে। মুখ থেকে শুরু করে স্তন, বাহু, পেট ইত্যাদি শরীরের সকল স্পর্শ কাতর অঙ্গে আগে দেখা যায় বয়সের ছাপ। ভাবছেন বয়স্কে রুখে দেয়ার কোন উপায় নেই? আছে বৈকি! বয়স হয়েছে বলেই চেহারায় ও শরীরে সেই ছাপ বহন করতে হবে এমন কোন কথা নেই। আপনি চাইলে ঘরে বসে খুব সহজ কিছু উপায়েই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বককে করে ফেলতে পারেন অনেকটাই টান টান ও যৌবন দীপ্ত। কীভাবে? চলুন, জেনে নিই তিনটি জাদুকরী কৌশল।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা আমাদের অসংখ্য ত্বকের সমস্যার জন্য একটি চমৎকার উপাদান। অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বকের বলিরেখা দূর করে একে করে তোলে টান টান। আপনি মুখ থেকে শুরু করে স্তন, বাহু, পেট বা শরীরের যে কোন স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন এই অ্যালোভেরা জেল। তাজা অ্যালোভেরা জেল মাখুন শরীরের সমস্যা আক্রান্ত এলাকায়। আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন। আপনি চাইলে সম্পূর্ণ শরীরই এই জেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। ম্যাসাজ করা হলে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বাজারের প্যাকেটজাত অ্যালোভেরা
জেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে সদ্য গাছ থেকে সংগ্রহ করা জেল হলে ফল পাবেন খুবই দ্রুত। আর হ্যাঁ, রোজ ব্যবহার করবেন।

গোলাপ জল

অসাধারণ এই উপাদানটি আপনার সৌন্দর্যের বন্ধু। গোলাপ জল আপনার ত্বককে টানটান করে ও বলিরেখা ও রোমকূপকে অদৃশ্য রেখে আপনাকে করে তোলে লাবণ্যময়। রাতের বেলা শরীরের প্রয়োজনীয় স্থানে তুলো দিয়ে গোলাপ জল লাগান। চাইলে গোলাপ জল দিয়ে স্থানটি ধুয়েও নিতে পারেন। তারপর স্থানবতি শুকিয়ে গেলে এভাবেই রাখুন সারা রাত। সকালে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। তবে এক্ষেত্রে ১০০ ভাগ বিশুদ্ধ গোলাপ জল হতে হবে। চিন্তা নেই, সাধারণ এই জিনিসটি আপনি তৈরি করতে পারবেন বাড়িতেই!

ডিমের সাদা অংশ

দুটি ডিমের সাদা অংশ নিন, একে ভালো করে বিট করে ফোম করে নিন। তারপর মুখ সহ অন্যান্য স্থানে মাখুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩/৪ বার নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে টান টান।

কিভাবে আমরা নখের যত্ন নিতে পারি

কিভাবে আমরা নখের যত্ন নিতে পারি

হাত পায়ের অন্যতম সৌন্দর্য হলো নখ। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো নখের যত্ন নেওয়াও অতন্ত্য জরুরি।

হাতের নখের দিকে সময়ে সময়ে নজর দেওয়া হলেও পায়ের নখ যেন পায়ের মতোই অবহেলায় রয়ে যায়।
বিশেষত যাদের নিত্যদিন বাইরে চলাচল করা প্রয়োজন হয়, তাদের ক্ষেত্রে পায়ের নখের যত্ন নেওয়া বেশি জরুরী। বাইরে থেকে ফিরেই পা ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার সাথে নজর দিতে হবে পায়ের নখের দিকেও। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনগুলোতে নখে কাদা লেগে যায়।

ধুলাবালি নখের ভেতর প্রবেশ করে প্রতিনিয়ত। দীর্ঘদিন পায়ের নখ অপরিষ্কার রাখা হলে নখে জীবাণু জমে ফাঙ্গাস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে নখ নষ্টও হয়ে যেতে পারে। তাই জেনে রাখা প্রয়োজন পায়ের নখের যত্নে কী করতে হবে।

বাড়িতে কিভাবে আমরা নখের যত্ন নিতে পারি:

১। লেবু

লেবুতে থাকা ভিটামিন সি আপনার নখের হলদে ভাব দূর করে এবং প্রাকৃতিক ভাবে উজ্জ্বল  করে তোলে| লেবুর রসের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটু হালকা গরম করে তাতে আপনার নখ চুবিয়ে রাখুন| ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন| এছাড়া হাত ও পায়ের নখে লেবু দিয়ে হালকা ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে ময়্স্চারাইসার লাগিয়ে নিন| নিয়মিত লেবুর ব্যবহার আপনার নখের যে কোনো রকম সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম|

২। নারকেল তেল

নারকেল তেল নখ কে ময়্স্চারাইস করে,এটি নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি তে সাহায্য করে| এছাড়া নখের যে কোনো ফাংগাল ইনফেকশন সহজেই সরিয়ে তোলে| নারকেল তেল ও মধু হালকা গরম করে হাতে ও পায়ের নখে ভালো করে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন| এতে ব্লাড সার্কুলেশন স্বাভাবিক থাকে এবং আপনার নখ ভালো থাকে|

২। বায়োটিন

বায়োটিন বা ভিটামিন এইচ আমাদের নখের জন্য অত্যন্ত জরুরি, তাই বায়োটিন যুক্ত খাবার যেমন ডিম, শশা, টমেটো, দুধ, আলমন্ড, গাজর, সয়াবিন ইত্যাদি নিয়মিত খাওয়া উচিত| এছাড়া প্রয়োজনে চিকিত্সকের পরামর্শ মত বায়োটিন সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন|

৪। ডিমের কুসুম ও দুধ

প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের অভাবে আমাদের নখে নানা ধরনের সমস্যা হয়| তাই এই দুটি উপাদান আমাদের নখের যত্ন নিতে সাহায্য করে| এক্ষেত্রে ডিমের কুসুম ও দুধের মিশ্রন অত্যন্ত কার্যকরী| এই দুটি উপাদান মিশিয়ে  হাতে ও পায়ের নখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন| পরে হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন| এতে নখের হলদে ভাব দূর হয় ও নখ ভালো থাকবে|

৫। পেট্রোলিয়াম জেলি

পেট্রোলিয়াম জেলি সবথেকে সহজ উপায় আপনার নখ ভালো রাখার| রাতে শুতে যাবার আগে ভালো করে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভেসলিন হাতে ও পায়ের নখে লাগিয়ে নিন| কিছু দিনের মধ্যেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন|

নখ ত্বকেরই একটি অংশ। ত্বক যেমন কেরাটিন দিয়ে তৈরি নখও শক্ত কেরাটিন দিয়ে তৈরি। নখে অনেক রোগ সৃষ্টি হতে পারে, তেমনি নখ দেখে অনেক রোগ চেনাও যায়। ফুসফুস ও হার্টের অসুখ ও রক্তস্বল্পতায় নখের অনেক পরিবর্তন হয়।

***নখে রোগ হলে চেনার উপায়

মনে রাখবেন আপনার সুন্দর নখ কিন্তু আপনার হাত ও পায়ের সৌন্দর্য্য কে বাড়িয়ে তোলে। তাই নখের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি| খারাপ বা অসুস্থ নখের অবহেলা আপনার পক্ষ্যে মারাত্মক হতে পারে| তাই এখন থেকে বাড়িতে বসেই নখের যত্ন নিতে এই ঘরোয়া উপায় গুলি ব্যবহার করুন|

নখ ত্বকেরই একটি অংশ। ত্বক যেমন কেরাটিন দিয়ে তৈরি নখও শক্ত কেরাটিন দিয়ে তৈরি। নখে অনেক রোগ সৃষ্টি হতে পারে, তেমনি নখ দেখে অনেক রোগ চেনাও যায়। ফুসফুস ও হার্টের অসুখ ও রক্তস্বল্পতায় নখের অনেক পরিবর্তন হয়।

নখে সাদা দাগ- ফাঙ্গাসের আক্রমণে নখে সাদা দাগ হয়ে থাকে। নখের পাশের ত্বকে ফাঙ্গাস আক্রমণের কারণেও নখে সাদা দাগ হতে পারে। মাসখানেকের মধ্যে সাদা দাগ আপনা আপনি চলে না গেলে ত্বক বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

নখ ভেঙে যাওয়া- বেশি সাবান ব্যবহার, নেইলপলিশ ব্যবহার থেকে নখ ভেঙে যেতে পারে। অনেকের নখ মোটা হয়ে হলুদ হয়েও খসে পড়ে। এটি এক ধরনের ছত্রাক দিয়ে হয়। এতে নখের সম্মুখ অংশ ও পেছনে চামড়ার সঙ্গে লাগানো অংশ আক্রান্ত হয়।

নখে ক্যান্সার- নখে মেলালোমা নামক ক্যান্সার হতে পারে, এতে নখে লম্বা লম্বা কালো দাগ পড়ে।

নখের পেছনের অংশ ফুলে ব্যথা হওয়া- যারা খুব পানির সংস্পর্শে আসে এবং রান্নাবান্না করে ও কাপড় কাচে যেমন গৃহবধূদের এ সমস্যা বেশি হয়। একে প্যারোনাইকিয়া বলে। হঠাৎ করে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণেও হতে পারে। অ্যান্টি ফাঙ্গাল ট্যাবলেট ও মলম লাগাতে হয়।

তাই এই রোগ গুলো থেকে নখকে সুরক্ষিত রাখতে উপরের নিয়মাবলি মেনে চলতে হবে। তবেই নখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা যাবে।

পেঁয়াজের রসের উপকারিতা কি

পেঁয়াজের রসের উপকারিতা কি

দৈনন্দিন জীবনে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। রান্নার কাজে ছাড়াও আরও অনেক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয় পেঁয়াজ। পেঁয়াজ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, সালফার, ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’তে সমৃদ্ধ পেঁয়াজ।

তাই খাবারে পেয়াজের ব্যবহার অনন্য। তাই কাঁচা পেঁয়াজ রোজ একটু হলেও খেতে বলেন পুষ্টিবিদরা।

পেঁয়াজের রসের উপকারিতা কি জেনে রাখুন পেঁয়াজের উপকারিতা

 
১.‌‌ যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে:‌ মানুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে পেঁয়াজ। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ ও এক চামচ আদার রস মিশিয়ে খেয়ে নিন। দিনে তিনবার। আপনার যৌন ইচ্ছা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। 


২.‌ কাশিতে উপকারি:‌ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন পরিমাণমতো পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি–কাশির সমস্যা থাকে না। 


৩.‌‌ অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা রোধ:‌ অ্যানিমিয়া রোধে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিদিন পেঁয়াজ খান, গুঁড় ও জল সহযোগে। এর ফলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। শরীরে নতুন রক্ত তৈরিতে আয়রনের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।


৪.‌ ক্যান্সার রোধ করে:‌ প্রতিদিন পেঁয়াজ খেলে ক্যান্সার রোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার কোষগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যা রোধে প্রতিদিন পেঁয়াজ খান। দেখবেন শরীরে একটা ক্যান্সার প্রতিরোধক কোষ তৈরি হয়ে যাবে।


৫.‌ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে:‌ পেঁয়াজে ক্রোমিয়াম থাকে। যা ব্ল্যাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরকে ঠান্ডা রাখে। 


৬.‌‌ রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ:‌ নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক থাকে। যার ফলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।


৭.‌‌ দাঁতের সংক্রমণ রোধ:‌ দাঁতের সংক্রমণ রোধ করতেও পেঁয়াজের জুরি মেলা ভার। ২–৩ মিনিট পেঁয়াজ চিবিয়ে খান। ফলে দাঁতে লুকিয়ে থাকা জীবাণুগুলো মরে যাবে। সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমবে। 

সর্বোপরি পেয়াজ একটি খুবই উপকারী দেশীয় এবং সহজলভ্য মসলা।

কিভাবে ঘরে থেকেও নিজেকে ফিট রাখবেন

বতর্মানে এই লকডাউন সময়ে ঘরে থেকে অনেকে হাপিয়ে উঠেছেন। বাড়ছে নানা হতাশা ও ছোটখাট শারীরিক ব্যাধি।

করোনাভাইরাসের মহামারীর ফলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বিশ্বজুড়ে মানুষকে গৃহবন্দী থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ঘরে আটকে থাকার ফলে আমরা আমাদের প্রতিদিনের কর্মচঞ্চলতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। এই পরিস্থিতিতে শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখতে আমাদেরকে সক্রিয় থাকতে হবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিজেকে সক্রিয় রাখলে তা দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও মন ভালো রাখে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রত্যেককে প্রতি সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারি তীব্রতার বা ৭৫ মিনিট প্রাণবন্ত তীব্রতার শারীরিক ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণ করা উচিৎ।

মহামারীর কারণে ব্যায়ামের স্বাভাবিক উপায় যেমন জিম, পাবলিক সুইমিং পুল, এমনকি পার্কগুলিও এখন বন্ধ রয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে বাড়ি থেকে বাইরে হাঁটতেও যাওয়া যাচ্ছে না। অনেক স্থানে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে পা রাখতেও বাধা দেয়া হচ্ছে। তাই সক্রিয় থাকা এবং ফিট থাকার বিষয়টি আগের তুলনায় আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

আসুন জেনে নিই, ঘরে থেকেও শরীর ও মনকে সক্রিয় রাখার উপায় সম্পর্কে

prohealthsblog.com


সাধারণ ক্যালিসথেনিক্স


ক্যালিসথেনিক্স এমন একটি অনুশীলন, যা প্রধান পেশীগুলিকে প্রশিক্ষণের জন্য ব্যক্তির শরীরের ওজনকে ব্যবহার করা হয়। কিছু ক্যালিস্টেনিকস যেমন- পুল আপের জন্য বারের প্রয়োজন। তাই এটি বাড়িতে অনুশীলন করা অসুবিধাজনক হতে পারে, তবে অনেক সময় বাড়িতে এটি করা সম্ভব।

এছাড়াও ক্যালিসথেনিক্সে স্কোয়াট, ক্রাঞ্চ, পুশআপস ও প্ল্যাঙ্কস অন্তর্ভুক্ত। এগুলি যে কেউ যেকোনো জায়গায় করতে পারেন। অনলাইনে সহজ টিউটরিয়াল পেয়ে যাবেন।

হোম কার্ডিও


কার্ডিওভাসকুলার অনুশীলন বা সংক্ষেপে ‘কার্ডিও’। এটি অনুশীলনকারী ব্যক্তির হৃদস্পন্দনকে বাড়িয়ে তোলে। কার্ডিও অনুশীলনের উদাহরণ দৌড়ানো, জাম্পিং জ্যাকস, দড়ি লাফ প্রভৃতি।

বিভিন্ন গবেষণা অনুসারে, কার্ডিও অনুশীলন ব্যক্তিকে ওজন হ্রাস করতে, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

দৌড়ানো এই মুহূর্তে সম্ভব না হলেও আপনি চাইলে ঘরে বসেই বাকী অনুশীলনগুলি খুব সহজে করতে পারবেন।

বাড়িতে থেকে পাইলেটস


পাইলেটস অনুশীলন গত কয়েক দশক ধরে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটি একটি শারীরিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, যা ভারসাম্য ও অঙ্গবিন্যাসের পাশাপাশি শরীরের শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। শারীরিক প্রশিক্ষক জোসেফ পাইলেটস মূলত বিশ শতকের গোঁড়ার দিকে এই অনুশীলনটি উদ্ভাবন করেছিলেন।

গবেষণা নিশ্চিত করেছে যে, পাইলেটস রুটিন আপনার পেশীর সহনশীলতা ও নমনীয়তা উন্নত করতে পারে। অন্যান্য গবেষণায় ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, পাইলেটস অনুশীলন পিঠের ব্যথা দূর করতে এবং ঘুমের গুণমান উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।

অনেকগুলি অনলাইন ভিডিও রয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলি অর্জনের জন্য উপযোগী রুটিন সরবরাহ করা হয়, যেমন পিঠের ব্যথা দূর করা। আপনি সহজেই ইউটিউব থেকে এসব ভিডিও খুঁজে পেয়ে যাবেন।

যোগব্যায়াম


সক্রিয় ও নমনীয় থাকার জন্য যোগব্যায়াম একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। বিভিন্ন ধরণের যোগব্যায়াম রয়েছে, যার প্রতিটিরই বিভিন্ন মাত্রা রয়েছে।

যোগব্যায়াম বিভিন্নভাবে ব্যক্তির স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে যে, যোগের সুবিধার মধ্যে পিঠের ব্যথা দূর করা। মানসিক চাপ ও উদ্বেগ দূর করা এবং একজন ব্যক্তির মেজাজ নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত।

আপনি ঘরে বসে ফ্রি অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে যোগ ব্যায়াম শিখে নিতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই হোম কোয়ারেন্টাইনের সময় ফ্রি ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়াও আপনি ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও পেয়ে যাবেন।

সখের কাজ করা


সক্রিয় থাকার জন্য সবসময় শারীরিক অনুশীলনের রুটিন প্রয়োজন হয় না। গবেষণা দেখিয়েছে যে, কেবল নিষ্ক্রিয়তা এড়ানোও অনেকটা পার্থক্য আনতে পারে।

নিষ্ক্রিয়তা এড়াতে নিজের পছন্দ মতো সখের কাজগুলি করুন। একটি সমীক্ষায় সুপারিশ করা হয়েছে যে, অবসরকালীন প্রতিদিন ১০ মিনিট বাগান করুন। বাগান করার মতো সখের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস হয়।

সুতরাং শারীরিক অনুশীলনের পাশাপাশি নিজের বাগানে কাজ করা, ছবি আকা বা গান করার মতো সখের কাজগুলি করতে পারেন।

এমনকি ঘর পরিষ্কার করার মতো নিয়মিত বাড়ির কাজ করাও এর মধ্যে অন্তর্গত। অনেক গবেষক মনে করেন পুরুষরা যেহেতু ঘরের কাজে কম অংশগ্রহণ করেন তাই অবসরকালীন তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি। তথ্যসূত্র: মেডিক্যাল নিউজ টুডে

How orthodontist education assists in orthodontic Screening?

orthodontists

There are a few points that orthodontists have to consider when they are treating a patient because unlike ordinary dental problems; orthodontic issues are more complicated. The orthodontists have to be very careful because the treatments that they do are complicated; so the whole screening process must be smooth and effortless.

What do you understand by Orthodontic Screening?

Screening in general means to identify diseases and problems that are unknown. This screening process is conducted on the whole population but with the help of Orthodontist education individuals are screened to determine what orthodontic issues are suffered by people. But at times the screening can misguide orthodontists. It is best to follow the process carefully.

Why orthodontic screening is important?

Everything related to the medical field is important. Even the smallest of all thing has its own significance and gravity. But it doesn’t mean that screening is a minor part; everything depends upon this process. It is a systematic method of collecting data, analyzing it and in the end deciding what solution can be done. An orthodontist can have the following benefits from the screening process.

Build trust with patients

There are several ways by which orthodontists can build their trust with the patients. But the best way is through screening as the orthodontists keep constant eye contact, have compassionate feelings, are personally involved and listen to each and every info that the patients give. As the orthodontist spends most of the time with the patients; a close bond is created between the two.

Enhancing the facial features

The right kind of diagnosis is very essential when it comes to improving facial features. There are two kinds of treatments that can be done to enhance the inappropriate features of the face. For minor issues various kinds of braces are fixed. But for complex problems jaw surgery is the only solution.

Fixing the position of the teeth

There can be several causes of disposition of the teeth which includes; misaligned jaw, cleft in the palate, pacifier use for long, prolonged thumb sucking, injuries and losing the teeth early. If the orthodontist uses the proper steps to determine the problem then fixing the positions of the teeth will become very easy.

Improved oral health

Sometimes the problem is not because of any major orthodontic issue but simply poor oral habits are the cause of it. The orthodontists have to determine whether the problem involves proper treatment or just guidance is needed to improve the oral health of the patient. The orthodontists have to be very careful because the wrong diagnosis can cause damage to the patient and the reputation of the orthodontist.

Choosing the right treatment

When the orthodontists have taken full advantage of the online orthodontic courses like Gerety Orthodontic Seminar; then he/ she should not have any problem in choosing the right treatment for the issue. Have you ever imagined of the consequences of a wrong treatment? There are severe after-math of it. This includes physical damage to the patient.

Orthodontist education assists in screening

In order to become a successful orthodontist you must know the proper procedure of the screening. To many it seems to be a long process but it is vital if you want to treat the patients in a professional way. The orthodontist has to go through each and every step of the screening process thoroughly to make sure that the patients are treated well.

Taking a full history of patients

The first thing to do is to take a full history of the patient. Either the orthodontists give a questionnaire to the patients to fill up or ask for the info in detail themselves. The history of the patients includes their personal data, general medical information, previous dental history and information about insurance.

Classifying the problem

The next step in the screening is to determine what kind of orthodontic problem the patient is facing. Sometimes many issues appear to be orthodontic related but they are simple oral problems that can be treated by dentists. It is really vital that the orthodontists classify the problems and treat the ones that are related to them.

Allocate the best diagnosis

A specialized orthodontist uses the learning he/ she has acquired to diagnose the problems. There are several steps that they have to take before coming to conclusions.

  1. The overall shape of the head is examined.
  2. The facial features are checked.
  3. The inside of the mouth including palate, teeth and tongue is inspected.

Discussing in detail with patients

An important thing that the orthodontists should never forget is to keep the patients and their families involved during each and every step of the screening. At times the patients have complained that they were not aware of the treatment and they don’t agree to it. To avoid this situation orthodontists must keep in contact with the patients and their families.

Finalizing the treatment

The final step of the screening process is finalizing the treatment. The Orthodontist education that the orthodontists have acquired can be put to best use when treating severe dental problems.

Surprising Health Benefits of Sleep – Get Enough Sleep For Good Health

Once the bedroom is all cleaned up and clear of clutter, with all the beautiful things in place, we are ready to take care of the spiritual aspect of sleeping. During sleep we leave the body and go on an astral journey. We remain connected to the physical body by the silver cord but the body although safe, remains empty. It is a good practice however, before going to sleep, to take extra extra care and ask for protection. No one is allowed in my space without my permission, other than my spirit guides. Thank you.”

It is a good idea to get into the habit, every night, before going to bed, to go over the day, to acknowledge the things you are happy with and intending solutions or answers for those things that bug you. If there is anyone that you want to help, you can say their names and you can be more specific with what they need assistance with.

When we go to sleep, we dream, and the dream state is the place where we create realities. Strange and far-fetched as it might sound, it is while we dream that we build realities easily, even if we do not remember our dreams when we wake up. Practising being clear about the things we wish to create, including excellent health and well-being for ourselves and our loved ones, or anyone, becomes then the way to use the dream state for bringing those desires and wishes into the so-called ‘waking reality’.

Sleeping has been purposely underrated. People have felt proud of their ability to go without sleep, or to be able to sleep only a few hours per night for more good night wishes, messages and quotes visit beautiful website for good dream. But sleeping is the time that we recharge and the time that we create. If we go too long without sleep, we start to suffer from all sorts of disturbances. But sleeping far from what some try to make you believe, is not a waste of time, and it is not something we should ever go without. The odd night here and there with less sleep is not a problem, but as we are making efforts to create a conscious way of living, it is vital to remember that sleeping is one of the biggest aspects of this.

If we suffer from reoccurring nightmares, this is a way for the subconscious to bring into focus either past experiences that need remembering and healing, or our innermost fears. If it is memories, we need to look at them, if it is our fears, then we need to bring those fears into the conscious mind and consciously choose to replace them with images of safety and harmony. So if you are a newbie at this, start with protecting yourself, and then pay attention to what goes on in your dreams. Start with intending to dream what you want, in a way that you already have it. And when you have bad dreams, acknowledge that the buried issues are coming up, and ready for resolution.

Good morning — Good afternoon — and Good evening are 3 phrases that can really brighten your day. If you don’t trust me, try this a little experiment. Be the first when you step in to say one of those phrases at the appropriate time of day. That is to say, remain truly conscious and look the person in the eye and sincerely wish them to say one of these greetings. I guarantee you will have a wonderful day, as well as the other person. But be careful of anything that surprises people because discussions in the office or at school are about people starting to notice that there is something different about you and it seems to have changed. The truth is, you have just begun to realize that you are making a little difference in your world and in others.

When working with school-age children, I see how often words are forgotten and thank you. Maybe because I’m older, I begin to notice that these children still don’t understand how important these words are. Please, and thank you, they are just common kindnesses that we tend to offer strangers more easily than the people we sometimes live with. But again, it’s just a reminder not to take anyone alone, but to show respect for everything you find and let them know how much you appreciate them.

Last year, I went to the Greek Olympics, which has been a dream of a lifetime. Since I did not receive the gene that allows me to easily learn languages, one of my commitments was to ask people how to say these 3 sentences in their language. What I discovered was that people from all the countries I visited were happy to teach me because I had a genuine interest in wanting to know about them, their language, and their country.

Related image

It made my cut a lot easier and although I am the “Archie Bunker” for the language slaughter, they really appreciated my effort. Just by learning these 3 little phrases, I have truly become a world citizen and ambassador to the United States. Also, I could see how some of my fellow citizens were amazed because they expected everyone to speak only English. So if you are going to a foreign country and haven’t got the “foreign language gene *, learn at least the 3 little words. This will make your stay that much more enjoyable, as well as everyone you meet to appreciate their effort.

I was delighted to share this idea with you and thank you for letting me enter your life. I hope you have a good day, afternoon or night wherever you live!!

Affordable Cosmetic Dentistry Options – Make Sure You Are Choosing the Right One

Affordable Cosmetic Dentistry Options


When we are considering affordable cosmetic dentistry options. We may come across a lot of possibilities that are out of your price range. Many times, it is because of the cost of visiting the dentist and staying in their office. Keep in mind that we are also paying for many other services. That is required for our procedure to be successful.

Therefore, it is important to choose affordable cosmetic dentistry options that will not only save you money but help to improve your smile. At the same time, you should also consider your oral health as well. The services that are available should fit into your budget, while at the same time, also taking care of your dental health.

Affordable Cosmetic Dentistry Options

Most people are aware of the problems that arise from tooth decay. The rotten teeth can be very uncomfortable. Even the daily activities we perform that require us to hold a pair of glasses or brush our teeth can damage our teeth. That is why we should always look into the options that are available to repair. Protect our teeth from the effects of tooth decay.

A possible way to avoid tooth decay is to brush your teeth twice daily, especially after meals. In addition, brushing can help to clean the plaque that collects on the surface of your teeth. Daily teeth brushing helps reduce bacteria from the mouth.

In order to prevent the risk of developing a disease called gingivitis, it is important to brush the teeth on a regular basis, particularly after meals. Daily three-time brush is recommend for all. As soon as you notice the stains on your teeth, take the time to brush your teeth to remove them.

Another dental problem that can occur when you have a poor diet is gum disease. Although the symptoms of gum disease often go unnoticed, the signs that are seen will help in determining the seriousness of the situation. If you notice red or inflamed gums or sore gums, you should consult with your dentist right away. This will help you get treatment and should help to restore your oral health.

We should remember that there are some steps. Without having to see a medical professional, that can be taken to help us. It is important to take a look at the foods that you are eating and the frequency that you are chewing gum. Also, be sure to drink plenty of water each day to flush out any toxins that may be present in your system.

With all of the possible options that are available, there are many affordable cosmetic dentistry options that are available. Many times, it is necessary to use composite veneers and bonding on many teeth. These two procedures do not require professional treatment and, therefore, are both affordable.

Another cosmetic dentistry option is called bonding. This procedure requires the dentist to take the impression of the tooth in question. And then use a bonding agent to glue the impressions together. The next step of the procedure is for the dentist to use a filler material to fill in the gaps.

There are many options for working on both your permanent and composite smile. Once you have decided which of these options is right for you, you should discuss this with your dentist. This will help to determine which is the best option for your situation.

Gums are located directly beneath the teeth. It is important to know these gum increase when the flat food is placed there. The food itself can be quite harmful to the gums if it is too hard. So many of the treatments that are available now. It made with very natural materials, it is not as harmful as hard food.

Before deciding on the methods that are available, you should speak with your dentist to determine which method is best for you. Always remember that you are looking for the least expensive option possible. This should also be something that is done so that you can have a beautiful smile and keep your teeth healthy.